তাবিজ নয় তাওয়াক্কুল – কোরআনের আলোয় রুহানী চিকিৎসা।

 




🕋 তাবিজ নয় তাওয়াক্কুল – কোরআনের আলোয় রুহানী চিকিৎসা।

—কখনো কি এমন হয়েছে—চিকিৎসা করেও কিছু হচ্ছে না? টাকার পর টাকা চলে যাচ্ছে, অথচ উপকার মিলছে না?
এই হতাশার ভেতরেই আশার আলো হয়ে আসে আল্লাহর কালাম — কোরআনের আয়াত।
আর সেই আলো থেকেই আমরা আহ্বান জানাই: তাবিজ নয়, তাওয়াক্কুল।


🔍 তাবিজ নিয়ে বিভ্রান্তি

আমাদের সমাজে তাবিজ নিয়ে দুই ধরনের কথা খুবই প্রচলিত—

🔴 তাবিজে কিছুই হয় না।
🔴 তাবিজ মানেই শিরক।

❓ কিন্তু সত্যি কি তাই? আসুন, শরিয়তের আলোকে দেখি:

✅ তাবিজে যদি থাকে কোরআনের আয়াত,
✅ তাবিজ যদি তৈরি হয় শরিয়ত অনুযায়ী,
✅ আর যদি মানুষ আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো ওপর নির্ভর না করে—

তাহলে তা শিরক হয় না। বরং এটিও একটি রুহানী চিকিৎসা।


🕌 রাসুল ﷺ কি রুহানী চিকিৎসা করতেন?

হ্যাঁ, করতেন।
রাসুলুল্লাহ ﷺ সাহাবীদের উপর দোআ পড়ে ফুঁ দিতেন।
তিনি নিজে অনেক দোআ শিখিয়ে গেছেন, যা রোগ-ব্যাধি বা বিপদের সময় আমরা পড়ি। যেমন:

আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিন হাম্মি ওয়াল হাযন।
আউযু বিসুন্নিল্লাহিল আযীমি মিন শাররি মা আজিদু ও উহাযির।

এগুলোই তো রুহানী চিকিৎসা। তাহলে কোরআনের আয়াতে তৈরি একটি তাবিজ যদি এই দোয়াগুলোর মতোই হয়—তাহলে কেন সেটা শিরক হবে?


✅ আমরা কীভাবে কাজ করি?

আমরা কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে সম্পূর্ণ শরিয়ত-সম্মত রুহানী চিকিৎসা করি। আমাদের কার্যক্রমের বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:

🔹 আমরা তাবিজ দেই – কিন্তু গ্যারান্টি দেই না।
🔹 শিফা একমাত্র আল্লাহর হাতে, আমরা শুধু একটি মাধ্যম।
🔹 আমরা কোনো নির্ধারিত টাকা নেই না – যে যা খুশি মনে দেয়, সেটাই যথেষ্ট।
🔹 আমরা কোনো জিন বা গায়েবি শক্তির সাহায্য নেই না – কারণ এটা হারাম।
🔹 আমাদের তাবিজে নেই কোনো জাদু, শিরকি কালাম বা বুজরুকি কথা।

এটা শুধুমাত্র আল্লাহর কালাম দিয়ে তৈরি একটি পবিত্র রুহানী চিকিৎসা।


🌿 কারা উপকৃত হতে পারেন?

যাদের জীবনে নিচের যেকোনো সমস্যা দেখা দিয়েছে, তারা চাইলে শরিয়ত সম্মত রুহানী চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারেন:

  • যাদুর বাঁধা বা প্রভাব
  • মানসিক অস্থিরতা, দুশ্চিন্তা বা অবসাদ
  • জিনের আসর বা বদ নজর
  • সংসারে অশান্তি, কলহ, অবারকত
  • বারবার চাকরিতে ব্যর্থতা বা ব্যবসায় ক্ষতি
  • দাম্পত্য জীবনে অবিশ্বাস বা ভালোবাসার অভাব
  • সন্তান না হওয়া বা সন্তান অবাধ্য
  • রহস্যময় অসুস্থতা, যেটার কোনো চিকিৎসা কাজ করছে না
  • ঘুমে ভয়, দুঃস্বপ্ন বা বিভ্রান্তি
  • মামলায় পরাজয় বা সামাজিক শত্রুতা
  • নামাজে অমনোযোগ বা দ্বীনের পথে থেকেও সমস্যা
  • নতুন বাড়ি, দোকানে অশান্তি
  • পরিবারে অশুভ পরিস্থিতি
  • হালাল ভালোবাসা টিকিয়ে রাখতে সমস্যা

📌 আমাদের থেকে আপনি যা পাবেন:

🔹 আমল ও দোআ: আপনার সমস্যা অনুযায়ী কোরআন-হাদীস থেকে আমল ও দোআ দেওয়া হয়।
🔹 তাবিজ: শুধুমাত্র কোরআনের আয়াত ও সহীহ দোআ দিয়ে তৈরি।
🔹 পরামর্শ: কীভাবে নিজের আমল ও ভরসা বাড়াবেন – সে বিষয়ে হেল্প করা হয়।
🔹 ব্যবসা নয়, সেবা: আমরা এটাকে ব্যবসা বানাই না। শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে করি।


❗কিছু সতর্কতা:

❌ যদি কেউ এই তাবিজকে অলৌকিক কিছু মনে করে — সেটা ভুল।
❌ যদি কেউ আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো উপর ভরসা করে — সেটাও হারাম।
❌ যদি কেউ তাবিজকে আল্লাহর বিকল্প ভাবেন — তাহলে তা শিরক।

✅ সঠিকভাবে, শরিয়ত মোতাবেক এবং পূর্ণ বিশ্বাস নিয়ে ব্যবহার করলে —
তাবিজ হতে পারে উপকারের মাধ্যম, আল্লাহর রহমতের বাহক।


🤲 শেষ কথা

আমরা কেউ শিফা দিতে পারি না।
আমরা কেবল দোআ করতে পারি, কোরআনের আয়াত দিতে পারি, এবং তাওয়াক্কুল শেখাতে পারি।

“শিফা শুধু আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে।”
আমরা শুধু সেই আলোর পথে পথপ্রদর্শক।


📞 যদি আপনি এই ধরনের কোনো সমস্যায় পড়ে থাকেন – যোগাযোগ করুন হোয়াটসঅ্যাপে।

WhatsApp — 01980482475

🕌 বিশ্বাস না থাকলে অন্তত জানুন —
এটা ব্যবসা নয় বরং একটি রুহানী সেবা।
বিশ্বাস থাকলে ইনশাআল্লাহ আপনি উপকৃত হবেন।



অর্থ প্রাপ্তির বিশ্বের স্রেষ্ঠ তদবীরঃ

 


আমরা সর্বসাধরনের জন্য এমন একটি তদবীর পোষ্ট করছি যা একই সাথে দুস্থ মানুষদের যেমন উপকারে ব্যবহৃত হবে। তেমনি অসংখ্য আর্থিক সঙ্কটে থাকা বিপদাপন্ন মানুষ হয়তো তার বিপদ হতে মুক্তি পাবে। এই তন্ত্রটি আমাদের ওয়েবের উপঢৌকন হিসেবে প্রেরন করেছেন মঙ্গোলিয়ার গুরু সিওয়াইম খান, আপনি খুব সহজেই নিজের আর্থিক সঙ্কট দুর করতে এই তদবীর ব্যবহার করতে পারেন। এটি একটি ওয়েষ্ট্রান তদবীর যা আমাদের চিরায়িত এশিয়ান তদবীরের মত নয়। আপনাকে প্রথমত কয়েকটি জিনিস জোগার করতে হবে। নিচে তার তালিকা ও নিয়ম বর্নিত হলো। এখানে আমাদের এই ওয়েবে শুধুমাত্র এই তদবীরটি সকলের করে উপকৃত হওয়ার জন্য সার্বিক অনুমতি দেওয়া হলো, তবে আপনি উপকৃত হলে অবশ্যই প্রতিষ্ঠানে তার জন্য প্রতিষ্ঠানের অনুদানে কিছু প্রেরনের জন্য অনুরোধ রইলো। এতে আপনি অবশ্যই উপকৃত হবেন।

তদবীর ইকুইপমেন্ট তালিকাঃ

১) হলুদ, সাদা, গোলাপী (পিঙ্ক) কালারের তিনটি মাঝারি সাইজের মোমবাতী।

২) জেসমিন আতর (চামেলী ফুলের ঘ্রান থাকবে)

৩) এক টুকরা সাদা কাপড় (২x২") দুই স্কয়ার ফিট।

৪) কিছু ঘর সুগন্ধ করার জন্য গোলাপ জ্বল, আগর বাতী, কর্পূর।

৫) একটি পবিত্র সাদা কাগজ।

৬) একটি নীল কালিতে লেখার কলম।


মন্ত্রঃ

I am rich, I am masterful, I am wise, I am honored

The moon is as bright as the light shines everywhere

Give me the same way, make the wealthy rich as the sea,

Fill me with respect before you die

বিধিঃ

সর্বপ্রথম আপনাকে চন্দ্রমাসের পূর্নিমা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এবং এরপর আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে পরবর্তী নবচন্দ্র পর্যন্ত। আপনার কাজটি শুরু করতে হবে যে কোন পূর্নিমার রাত্রে কোন উচু স্থানে পূর্বদিকে মুখ করে বসে উপরক্ত মন্ত্রটি চন্দ্রের দিকে তাকিয়ে ৫০৭ বার পড়তে হবে। এবার পরবর্তী নব চন্দ্রের শুরুর দিন সন্ধ্যায় চন্দ্র দেখে একটি নির্জন ঘরে আসন পেতে বসবেন। সামনে তিনটি মোমবাতী দিয়াশালাই দ্বরা জ্বালাবেন এবং নিজের দের হতে দু হাত সামনে ত্রিকোন ভাবে রাখবেন। তার পর একটি সাদা পবিত্র কাগজে নীল কালিতে উপরোক্ত মন্ত্রটি লিখে তার নিচে আপনার পূর্ণ নামটি লিখবেন। এবার সাদা কাপড়টি সামনে বিছিয়ে তার উপর কাগজটি রাখবেন। এবার মোমবাতির দিকে দৃষ্টি নির্দিষ্ট করে ধ্যনের মত আপনার যত অর্থ ঋন বা প্রয়োজন তার কল্পনা করতে করতে মন্ত্রটি জপ করতে থাকুন। ১০১ বার মন্ত্রটি জপ করে কাগজের উপর একটি ফু দিবেন এবং কাগজটি সহ কাপড়টি আপনার চোখে বাধবেন এবং আপনার অর্থ পেয়েছেন বা কেউ আপনাকে আপনার চাহিদার অর্থ দিয়ে যাচ্ছে সেটি কল্পনা করুন, খুব মনযোগের সাথে কল্পনা করুন অন্তত্য ৩০ মিনিট এরপর কাজটি শেষ করুন। রাত্রে ঘুমানোর সময় কাগজ ও কাপড়টি চোখে বেধে ঘুমাবেন। এভাবে প্রতিদিন কাজটি করতে হবে পরবর্তী পূর্নিমা পর্যন্ত এর মধ্যেই আপনার ঋন পরিশোধ হবে আপনার চাহিদা পূর্ণ হবে।

✅_যেকোনো কাজ করার পূর্বে ভালো গুরুর অনুমতি নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করুন। অন্যথায় ক্ষতি হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না। তবে বিস্তারিত জানার জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।

যোগাযোগ: (24/7)

imo & What'sApp

+88 01980482475

Akashguru2475@gmail.com

হারানো মনের মানুষকে ফিরে পেতে চান।

 

আমরা সাধারন মানুষ কখনই আমাদের কাছে যা আছে তার কদর বুঝি না, আমাদের আশে পাশে যারা থাকে তাদের মূল্যায়ন করি না, যারা আমাদের ভালোবাসে তাদের ভালোবাসার মর্ম বুঝি না। অথচ ঠিক একটা সময় যখন সেই জিনিসটি হারিয়ে যায়, নষ্ট হয়ে যায়, কাছের মানুষটি দুরে চলে যায়, ভালোবাসার মানুষটি অন্য কারো হয়ে যায়, তখন আমরা ঠিক কেদে কুল ভাসাই।

এটিও চিরন্তন সত্য সাধারনত যে জিনিসটি বা যে ব্যক্তিকে আমরা সত্যিকার অর্থেই বেশি ভালোবাসি বেশি চাই একটি সময় ঠিক সেটি নষ্ট হবে বা ব্যক্তিটি আমাদের ছেরে চলে যাবে – হারিয়ে যাবে। আমাদের সকলের উচিৎ যা আমাদের জন্য জরুরী, যে ব্যক্তিটি ছাড়া আমাদের চলে না, যাকে ছাড়া আমার জীবনটা অনর্থক মনে হয়, সে যখন কাছে থাকে তখন তার মূল্যায়ন করা, তার যথাযথ কদর করা। এতে করে আপনার প্রতি তার আগ্রহ যেমন থাকবে তেমনি আপনাকেও সে ততটুকুই ভালোবেসে আকড়ে থাকবে। হারানোর ভয় কম থাকবে, হয়তো হারাবেই না।
আমরা আমাদের কাছের মানুষের দুরে সরে যাওয়ার পিছনে অনেকাংশে নিজেরাই দায়ী। আমাদের গাফিলতি ও অবহেলার কারনেই অনেককেই পরে পস্তাতে হয়, চোখের জল ফেলতে হয়। তাকে ফিরে পাওয়ার আসায় দারে দারে ঘুরতে হয়। আর সেই সুযোগের অপেক্ষায় বসে থাকা কিছু অসাধু বাঙ্গালী আমাদের আবেগ ও ইমোশনকে পুজি করে আমাদের সাথে প্রতারনা করে আমাদের অনুভুতি নিয়ে খেলা করে, অনেক স্বার্থন্বেসি বন্ধুবেশি মানুষও সেই সুযোগে তাদের স্বার্থ চারিতার্থ করে।
আমরা কেনো চেষ্টা করতে পারি না তারা যখন কাছে থাকে তখনই এমন ব্যবস্থা করতে যাতে কখনোই সে আমাকে ছেড়ে চলে না যায়। এতে সময় শ্রম, অর্থ, মনো কষ্টো সকল কিছুর’ই সাশ্রয়।
এমন হাজারো মানুষ রয়েছে যারা হয়তো এমন ভুল করেই ফেলেছে এবং এখন কপাল চাপড়ে সেই মানুষটিকে ফিরে পেতে সকল কিছুই করতে রাজি তাদের জন্যই আমরা সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছি। আপনারা নিশ্চিন্তে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আমরা আপনার হারানো মানুষটিকে আপনার নিকট ফিরিয়ে আনবো।

✓বি:দ্র: যে কোন কাজ করার পূর্বে ভালো গুরুর অনুমতি নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করুন, অন্যথায় ক্ষতি হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না, তবে বিস্তারিত জানার জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। 
+88 01980482475 

Akashguru2475@gmail.com 

ত্রাটক মহাবিদ্যা — আত্মশক্তির জাগরণ

 




ত্রাটক মহাবিদ্যা — আত্মশক্তির জাগরণ

নিজের ভেতরের আলো জ্বালাও, খুঁজে নাও সত্যিকার আমি-কে


বর্তমান পৃথিবীতে এক নতুন ধারা দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে — মেডিটেশন বা ধ্যান।
আমাদের বাংলাদেশেও এখন এমন বহু প্রতিষ্ঠান আছে যেখানে ধ্যান ও যোগব্যায়াম শেখানো হয়। আজকের মিডিয়ার যুগে চোখ-কান খোলা রাখলে দেখা যায়, বিশ্বজুড়ে বিশেষ করে ডিসকভারি বা ন্যাশনাল জিওগ্রাফির মতো চ্যানেলগুলোতেও ধ্যানচর্চার বিস্ময়কর দৃষ্টান্ত তুলে ধরা হয়। এমন অনেক দেশ আছে, যেখানে ধ্যান-সাধনা এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, মানব মনের পক্ষে অসম্ভব বলে কিছু আর যেন অবশিষ্ট নেই।

বাংলাদেশেও বহু শ্রদ্ধেয় মেডিটেশন গুরুজন ধ্যান ও যোগের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন — যা আমাদের মানসিক ও শারীরিক উন্নয়নের জন্য যথেষ্ট কার্যকর। একজন মানুষ নিজের জীবনযাত্রা উন্নত করতে যা যা প্রয়োজন, সেই সবই এই প্রশিক্ষণগুলোতে শেখানো হয়।

কিন্তু প্রশ্ন হলো — আমরা যা জানি, তা কি যথেষ্ট?
এর বাইরে কি আর কিছু নেই? সত্যিই কি নেই?


ধ্যানের গভীরতা — ইতিহাসের আলোয়

ধ্যান বা তপস্যার বিষয়টি নতুন নয়। প্রাচীন গ্রন্থে এর অসংখ্য উদাহরণ আছে।
যেমন হিন্দু শাস্ত্রে বলা হয়েছে — যখন দেবাদি দেব মহাদেব শিব কোনো সমস্যার সম্মুখীন হতেন, তখন তিনি ধ্যানে বসতেন।
তাহলে প্রশ্ন জাগে, তিনি যদি স্বয়ং ভগবান হন, তবে তিনি কার ধ্যান করতেন?

আবার আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনেও দেখা যায় — তিনি হেরা গুহায় নির্জনে ধ্যানে নিমগ্ন থাকতেন।
তাঁর মতো মহামানব যদি ধ্যানের মাধ্যমে সত্যের সন্ধান পেতে পারেন, তবে কেন তাঁর উম্মতদের জন্য ধ্যানকে সুন্নত বা ফরজ ঘোষণা করা হয়নি?
আমার ক্ষুদ্র বুদ্ধিতে এই প্রশ্নের উত্তর এখনো ধরা দেয়নি।

অন্যদিকে, বৌদ্ধ ধর্মের মূলেও রয়েছে ধ্যান সাধনা। স্বয়ং গৌতম বুদ্ধ দীর্ঘ ধ্যানের মাধ্যমে সত্যের আলো আবিষ্কার করেন।
তাই দেখা যায়, পৃথিবীর যত মহামানবের ইতিহাসই আমরা দেখি না কেন—প্রত্যেকের জীবনেই কোনো না কোনো রূপে ধ্যান বা মনোনিবেশ ছিল তাদের সাফল্যের কেন্দ্রে।


আমাদের ধ্যান — আমাদের পথ

আমরা আজ যেটাকে মেডিটেশন বলছি, তা আসলে ধ্যানের বিশাল সমুদ্রের সামান্য একটি কণা মাত্র।
কিন্তু এই ক্ষুদ্র কণাটিও যদি সঠিকভাবে প্রয়োগ করা যায়, তাহলে একজন সাধারণ মানুষও হয়ে উঠতে পারে অতিমানব বা মহামানব

আমাদের এই উদ্যোগ—“ত্রাটক মহাবিদ্যা”—মূলত এই ধ্যান প্রশিক্ষণকেই কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।
তবে আমরা এটিকে কেবল মেডিটেশন বা যোগ বলব না; আমাদের ভাষায় এটি ত্রাটক সাধনা


ত্রাটক — দু’ধারী তলোয়ার

ত্রাটক এমন এক শক্তিশালী সাধনা, যার ক্ষমতা দ্বিমুখী তলোয়ারের মতো।
এটি যদি ভুল হাতে পড়ে, তবে সেই ব্যক্তি নিজেই ধ্বংস হতে পারে, কিংবা সমাজে বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।
এ কারণেই আমাদের দেশের সম্মানিত মেডিটেশন গুরুজনেরা তাদের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নির্দিষ্ট সীমারেখা (Boundary) স্থাপন করে দেন, যাতে কেউ সেই সীমা অতিক্রম করতে না পারে।

এই সীমারেখার মধ্যেই নিরাপত্তা।
যে শিষ্য যতই ভালো বা খারাপ প্রকৃতির হোক না কেন, সে কখনোই তার নির্ধারিত সীমার বাইরে যেতে পারবে না।
ফলে সে যা শেখানো হয়েছে, কেবল তাই করতে পারবে—না কম, না বেশি।
এটাই আমাদের জন্য কল্যাণকর।


তাহলে কি আমরা থেমে থাকবো?

প্রশ্ন আসতে পারে—এই সীমার মধ্যে থেকেই কি আমরা বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগোতে পারব?
আমরা কি মসজিদ বা মন্দিরে স্যান্ডেল চুরির ভয়ে সেখানে যাওয়া বন্ধ করব?
অবশ্যই না!
ঠিক তেমনি, ত্রাটক সাধনাও আমাদের নতুন দিগন্তে নিয়ে যেতে পারে—যদি তা সচেতনভাবে করা যায়।


ত্রাটকের শক্তি — আত্মজাগরণের চাবিকাঠি

ত্রাটকের মাধ্যমে একজন মানুষ তার অন্তর্নিহিত শক্তি জাগিয়ে তুলতে পারে।
এই শক্তি তাকে তার আসল সামর্থ্য চিনতে সাহায্য করে।
প্রত্যেক মানুষের ভেতরেই আছে এক অবিনশ্বর, অসীম ক্ষমতাধর আত্মা,
যে নিজের বিচার, নিজের সিদ্ধান্ত, নিজের রক্ষাকবচ — সবই নিজেই হতে পারে।

যে স্রষ্টা এই অসামান্য মানবজাতিকে সৃষ্টি করেছেন, তিনি নিশ্চয়ই আমাদের ভেতর অসংখ্য সম্ভাবনা লুকিয়ে রেখেছেন।
আমরা যতদিন এই পথে না হাঁটব, ততদিন পর্যন্ত সেই শক্তিগুলোর সন্ধান পাব না।


আমাদের সামর্থ্য — আমাদের বাস্তবতা

আজ আমরা মোবাইল, রিমোট কন্ট্রোল, উড়োজাহাজ, বিদ্যুৎ—অসংখ্য জিনিস আবিষ্কার করেছি।
কিন্তু কখনও কি ভেবেছি—যে শক্তি আমাদের সৃষ্টি করেছে, সে শক্তি আমাদের ভেতর কতটা অসীম?

ত্রাটক সাধনার মাধ্যমে আমরা শিখব—

  • কিভাবে অন্তর্দৃষ্টি জাগিয়ে আগত বিপদ অনুভব করা যায়,
  • কিভাবে অবচেতন মনের ভাষা বোঝা যায়,
  • কিভাবে নিজের চিন্তা ও শক্তিকে নিয়ন্ত্রণে আনা যায়,
  • কিভাবে নিজের জীবনে শৃঙ্খলা ও প্রশান্তি আনা সম্ভব।

প্রতিটি মানুষই তার ভেতরের শক্তির সাহায্যে নিজের জীবন বদলে ফেলতে পারে।
ত্রাটক সেই শক্তির দরজা খুলে দেয়।


শেষ কথা

ত্রাটক মহাবিদ্যা এমন এক সাধনা যা মানুষকে নিজের অন্তর্লোকে পৌঁছে দেয়,
যেখানে সে নিজের ভেতরের সত্তার সঙ্গে পরিচিত হয়।
এই সাধনার মাধ্যমে জীবনের অস্থিরতা, হতাশা ও বিভ্রান্তি দূর হয়ে এক নতুন আলো জ্বলে ওঠে।
ত্রাটক আপনাকে এনে দিতে পারে এক অনন্য জীবনের স্বাদ —
যেখানে আপনি শুধু মানুষ নন, বরং নিজের সেরা সংস্করণ।

বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন —
WhatsApp — 1980482475



যাদু মন্ত দ্বারা যা করা যায়

 


যাদু মন্ত দ্বারা যা করা যায়

জাদুমন্ত্রের জগতে ষটকর্ম কে বিশেষ স্থান দেয়া হয়েছে| ষটকর্ম হলো ছয়টি কাজ|

 যথা:- বশীকরন, আকর্ষন, মোহন, স্তম্ভন, উচ্চাটন, মারন।
কাউকে নিজের ইচ্ছানুযায়ী বশ করে নেওয়ার নাম বশীকরন| কারও মনে আলোড়ন সৃষ্টি করে নিজের প্রতি আকর্ষিত করার নাম আকর্ষন|
কাউকে নিজের আচার ব্যবহার কথাবার্তায় মুগ্ধ করার নাম মোহন|
 কারও যবান, ঘুম, ব্রেইন, হাত, পা, বীর্য, রান্নাবানা, আগুন, ইত্যাদি বন্ধ করে দেওয়া বা আটকে দেওয়ার নাম স্তম্ভন|
 কারও মন উদাসী করে মনকে অস্থির করে তার দেশ থেকে তাকে তাড়িয়ে দেওয়ার নাম উচ্চাটন|
 কারও ঘরে বা শরীরে কবিরাজি প্রয়োগ করে তাকে মেরে ফেলার নাম মারন|

✓বি:দ্র: যে কোন কাজ করার পূর্বে ভালো গুরুর অনুমতি নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করুন, অন্যথায় ক্ষতি হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না, তবে বিস্তারিত জানার জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। 
+88 01980482475

বান অথবা মারণ

 


বান অথবা মারণ

মারণ:
এখানে মারণ বলতে বোঝায় যা কাউকে মন্ত্র শক্তি দ্বারা ক্ষতি করা । এটা করা উচিত নয় কারন এতে মানুষের প্রচুর ক্ষতি হয়  এবং মৃত্যূ পর্যন্ত হয়। এটা কখোন প্রয়োগ করা যাবে সেটি হলো আপনি কারো সঙ্গে কোন ভাবে পেরে উঠছেন না না শক্তি দিয়ে, না বুদ্ধি দিয়ে, না আইন দিয়ে। কিন্তু সেই ব্যক্তি আপনার অনেক ক্ষতি করছে সে ক্ষেত্রে মারন প্রয়োগ করা যায়।

✓বি:দ্র: যে কোন কাজ করার পূর্বে ভালো গুরুর অনুমতি নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করুন, অন্যথায় ক্ষতি হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না, তবে বিস্তারিত জানার জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। 
+88 01980482475

একমাত্র যাদুবিদ্যা দিয়ে পৃথিবীর মধ্যে সব কিছু করা যায়।

 


যাদু বিদ্যা

যাদুবিদ্যা আর যাদুকর এই দুইয়ের প্রতিই মানুষের আগ্রহ
সীমহীন সেই মানব সভ্যতার শুরু থেকেই। পৃথিবীর মানুষের
লোকসংস্কারের এটা বড় অংশই হলো যাদুবিদ্যা।
যাদুবিদ্যা মূলত: অতিন্দ্রিয় আর প্রাকৃতিক শক্তিকে বশ
করার বিদ্যা! ইংরেজি ম্যাজিক শব্দের উদ্ভব
হয়েছে ফার্সি মাজি থেকে! মাজিরা যে সব ক্রিয়া-কর্ম
পালন করতো, গ্রীকরা তাকেই ম্যাজিক বলে অভিহিত করত।
 এই যাদু বিধান সর্বকালে সব দেশে শত্রুর ধ্বংসের
উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়েছে। এখানে শত্রুর
প্রতিমূর্তি (মোম, মাটি, কাঠ, কাপড়),
বা ছবি ইত্যাদি তৈরি করার করে পুড়িয়ে,
বা ছুড়ি দিয়ে কেটে ধ্বংস করা হয়! ধারণা এই যে,
মূর্তিটা যে যন্ত্রনা পাচ্ছে, শত্রুও তেমন
যন্ত্রনা বা আঘাত পাচ্ছে। এটাকে ব্ল্যাক ম্যাজিক বলে!
তবে এই যাদু আবার অনেক সময় মানুষে উপকার বা ভালর জন্যেও
ব্যাবহার করা হয়।

যে কোন ধরনের বানের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন।
✓বি:দ্র: যে কোন কাজ করার পূর্বে ভালো গুরুর অনুমতি নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করুন, অন্যথায় ক্ষতি হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না, তবে বিস্তারিত জানার জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। 
+88 01980482475

শত্রু উচ্চাটন

 


শত্রু উচ্চাটন

প্যাঁচার বাঁ দিকের ঠ্যাং ও কাকের ডানদিকের ঠ্যাং নিয়ে দুটিকে লাল কাপড়ে
এক সংগে জড়িয়ে তার উপর কালো সুতোদিয়ে বেধে পরে সেই পুটলি শত্রুর ঘরে ফেলে দিলে শত্রুর উচ্চাটন হয়।

✓বি:দ্র: যে কোন কাজ করার পূর্বে ভালো গুরুর অনুমতি নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করুন, অন্যথায় ক্ষতি হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না, তবে বিস্তারিত জানার জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। 
+88 01980482475

বান মেরে অতি সহজেই মেরে ফেলা যায়।

 


বানের মন্ত। মারন

মারন তিছড়া প্রকরণ
ওঁ কালী কংকালী মহাকালী কে পুত্র,
কংকার ভ্যায়রুঁ হুকম হাজির রহে,
মেরা ভেজা কাল কার‌্যায়,
মেরা ভেজা রাকছা করে,
আন বাঁধু, বান বাঁধু, দশো সুর বাঁধু,
নও নাড়ী বহত্তর কোঠা বাঁধু,
ফুল মে ভেঁজু, ফল মে জাই,
কোঠ জী পড়ে থরহর
কঁপে লহন হলে, মেরা ভেজা,
সওয়া ঘড়ী সওয়া পহর কুঁ,
বাউলা ন করে তো মাতা কালী কী
শয্যা পর পগ ধরে,
পে বাচা চুকে তো উবা সুকে বাচা,
ছোড়ি কুবাচা করে তো ধোবী নাদ,
চামার কে কুন্ডু মে পড়ে মেরা ভেজা,
বাউলা না করে তো মহাদেব কী জটা,
টুট ভুগ মে পড়ে,
মাতা পারওয়তী কে চীর প্যায় ছোট করে,
বিনা হুকুম নহী মারনা হো,
কালী কে পুত্র কংকাল ভ্যায়রু
ফুরো মন্ত্র ঈশ্বরী বাচা।।

বিধিঃ তান্ত্রিক উপাচারে দীপান্বিতা বা গ্রহনের দিন উক্ত মন্ত্র 10,000 (দশ হাজার) বার জপ করলে মন্ত্র সিদ্ধি হবে। এরপর লবঙ্গ, বাতাসা, পান-সুপারী, কলাওয়া, লোবান, ধুপ, কর্পুর, একটি সরায় রেখে তাতে ৭টি সিন্দুরের ফোটা দিয়ে, একটি ত্রিশুলের মত করে উপরোক্ত মন্ত্রে অভিমন্ত্রিত করে 22 বার মন্ত্র পড়তে পড়তে আগুনে হোম করতে হবে, এই প্রয়োগের দ্বারা, সাধ্য ব্যক্তির শিঘ্রই মৃত্যু হয়।

✓বি:দ্র: যে কোন কাজ করার পূর্বে ভালো গুরুর অনুমতি নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করুন, অন্যথায় ক্ষতি হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না, তবে বিস্তারিত জানার জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। 
+88 01980482475

মন্ত্রের ক্ষমতা কত দুর পযন্ত যেতে পারে।


মন্তের ক্ষমতা কত দুর পযন্ত যেতে পারে???

উওর: মন্তের ক্ষমতা যে কোন
প্রান্তে পোছাতে পারে নিমিষে।।
কিন্তু অব্যশই পাক প্রবিএ স্থানে সহজেই
পোছাতে পারে না।।
অনেকেই জিগ্গাসা করে মন্ত কি ভাবে কাজ করে??
যখন মন্ত পাঠ করা হয় তখন মন্তের
মোয়াক্কেল জিন কাজ করতে সাহায্য করে থাকে।।
প্রত্যকটির গুরু মন্তের মোয়াক্কেল জিন থাকে।।
আর জিন
যেকোনো দেশে বা যেকোনো প্রান্তে যেতে পারে।।

✓বি:দ্র: যে কোন কাজ করার পূর্বে ভালো গুরুর অনুমতি নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করুন, অন্যথায় ক্ষতি হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না, তবে বিস্তারিত জানার জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। 

+88 01980482475 

শরীর বন্ধ করার নিয়ম

 


শরীর বন্ধ করার নিয়ম :

শরীর বন্ধ করার উপায়ঃ
কোন বিপদজ্জনক জায়গায়
অথবা পরিবেশ যদি খুব একটা সুবিধার
মনে না হয়, যদি মনে হয় কিছু
একটা ঘটছে কিমবা ঘটতে পারে তবে এই
তদবির ব্যবহার করতে পারেন।
প্রথমে আয়তুল কুরসী (খালিদুন পর্যন্ত),
সুরা ফালাক, সুরা নাস একবার পড়ে নিজের
চারদিকে লাঠি দ্বারা মাটিতে একটি বৃত্ত
আঁকবেন। আল্লাহর ফজলে বৃত্তের ভিতর
জিন, ভুত, প্রেত যাই বলেন কিছুই
আসবে না।

✓বি:দ্র: যে কোন কাজ করার পূর্বে ভালো গুরুর অনুমতি নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করুন, অন্যথায় ক্ষতি হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না, তবে বিস্তারিত জানার জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। 
+88 01980482475

শীঘ্র বিবাহ হওয়ার তদবীর

শীঘ্র বিবাহ হওয়ার তদবীর।

সূরায়ে ত্বাহা।
পবিএ কোরআনে পাকের সূরায়ে, ত্বাহা, সম্পণ ২
খানা কাগজে মেশক জাফরান
কালি দ্বারা লিখিয়া দুইটি তাবিজ তৈরী করতে হবে।
একটি বড় কলসী মধ্যে নদীর পানিতে গুলিয়া মেয়ে কে গোসল
করাইয়া অন্য তাবিজটি সবুজ রেশমী কাপুড়ে জড়াইয়া মেয়ের ডান
বাজুতে বাধিয়া দিবে।
কিছু দিনের ভিতর বিবাহ ঠিক হইয়া যাবে।
সূরা ত্বাহার: এই সূরা হযরত মূসা (আ:) এর বহু আশ্চয ঘটনা ও আল্লাহর
পাকের অসীম ক্ষমতার প্রকাশ পায়।

✓বি:দ্র: যে কোন কাজ করার পূর্বে ভালো গুরুর অনুমতি নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করুন, অন্যথায় ক্ষতি হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না, তবে বিস্তারিত জানার জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। 

+88 01980482475 

বউকে বশ করার মন্ত্র।

 বউকে বশ করার মন্ত:

যে সব wife স্বামীর কথা শুনে না তাদের কে বশ করার জন্য
মন্তটি দিলাম,
সে শুনবে না আপনার কথা তার বাবা ও শুনবে।।
মন্ত :
রাম একাকী কুল্লে ফালে ও কাকী কাওমে তোর
লাগলে মোরকা সব ফেলিহু।
ও তনে তোর না লাগিলে হামি ও তনে তোর
না লাগিলে হামি ও তনে মরতেহ।
মোহাম্মাদী কা থাকিলে তোর হে আঁচলে
আমি নে বন্ধি থো
ছো ছো ছো
ফোরু মন্ত আল্লা বাচা
নিয়ম: কোন ভাল গুরুর কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে নিতে হবে।
কোন অমাবস্যা রাতে ১২ টার পর এই মন্ত টি ২১
বারে শিখতে হবে।
তাহলে মন্তটি সিদ্দ হবে।।
মন্ত সিদ্দ শেষ হলে
কোন শনিবার দিন মন্তটি ৭ বার পাঠ করে
wife এর পরনের শারিতে ৩ টি গিরু দিবেন
গিরুর দেওয়ার সাথে সাথে সে পাগল এর মত
আত্তহারা হয়ে যাবে।।
আর মাটিতে পরে যাবে
তখন চিন্তার কিছু নেই তার চুলের মুঠি ধরে টেনে তুলবেন
আর কোমরে আস্তে করে ৩ টি লাথি মারলে সুস্থ হয়ে যাবে।।

✓বি:দ্র: যে কোন কাজ করার পূর্বে ভালো গুরুর অনুমতি নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করুন, অন্যথায় ক্ষতি হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না, তবে বিস্তারিত জানার জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। 
+88 01980482475

সিদ্ধ বশীকরণ মন্ত্র।

 সিদ্ধ বশীকরণ মন্ত্রঃ

বিস্মিল্লাহ
দানা কুলহু
আল্লাহু
যগানা দিলহ
সখত্ তুম হো
দানা হমারে বীচ
নাম কা
করো দিবানা।।

বিধিঃ ৪১ টি কার্পাস বীজ নিয়ে মধ্যরাতের সময়ে প্রত্যেকটি বীজকে ৪১ বার উক্ত মন্ত্রে অভিমন্ত্রিত করে আগুনে দিতে হবে। এই ভাবে ৯ দিন ধরে প্রয়োগ করলে সর্বজন সাধকের বশীভূত হবে। মন্ত্র প্রয়োগের সময় নাম এর স্থলে যাকে বশ করবেন তার নাম উচ্চারন করতে হবে। বিধি মত এটি করতে পারলে এটি কখনও বিফল হয় না।

✓বি:দ্র: যে কোন কাজ করার পূর্বে ভালো গুরুর অনুমতি নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করুন, অন্যথায় ক্ষতি হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না, তবে বিস্তারিত জানার জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। 
+88 01980482475

কলহ সৃষ্টিকারী মন্ত্র।

 কলহ সৃষ্টিকারী মন্ত্রঃ

তিত্ত করলা নিমের পাত
বিষ কুটুলি দিয়া তাত
হাড়ির হাড়েত খুটুং টুং
শিবের হাতের ঝাঁটা
এই কন্দল লাগিয়া দিল নারদ মুনির বেটা
স্বর্গে থাকে নারদ মুনি
স্বর্গে দিলে ধুনি
আইজ থাইক্যা অমুকে অমুকে
লাগ খুনা খুনি
কার আজ্ঞে
হাড়ির ঝি চন্ডির আজ্ঞে।।

বিধিঃ তিতো করলা, নিমের পাতা, বিষ কুটুলি একত্রে মন্ত্রপুত করে যার যার মধ্যে ঝগড়া সৃষ্টি করার লক্ষ্য তার নাম নিয়ে তার বাড়ীর উঠোনে রাখতে হবে। সকালে গৃহ বধু উঠোন ঝাড় দিতে গেলে মন্ত্রপুত জিনিসের সাথে ঝাটার র্স্পশ লাগা মাত্রই ঝগড়া শুরু হয়ে যাবে।

✓বি:দ্র: যে কোন কাজ করার পূর্বে ভালো গুরুর অনুমতি নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করুন, অন্যথায় ক্ষতি হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না, তবে বিস্তারিত জানার জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। 
+88 01980482475

তাবিজ নয় তাওয়াক্কুল – কোরআনের আলোয় রুহানী চিকিৎসা।

  🕋  তাবিজ নয় তাওয়াক্কুল – কোরআনের আলোয় রুহানী চিকিৎসা। —কখনো কি এমন হয়েছে—চিকিৎসা করেও কিছু হচ্ছে না? টাকার পর টাকা চলে যাচ্ছে, অথচ উপকার ...